বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
বাজিতপুর নিউজ
সর্বশেষ

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাজিতপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের দোয়া মাহফিল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বাজিতপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে শোকসভা, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে বাজিতপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।​উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ মানিকের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই শোকসভায় ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শোক প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ জসীম, সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, মো. ফারুক, অর্থ সম্পাদক মো. আব্দুস সলিম এবং সদস্য আবদুর রহমানসহ স্থানীয় অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সরারচর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি শফি উদ্দিন। ​শোকসভায় বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, তিনি ছিলেন দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক সাহসী নেত্রী। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীর নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তিনি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং তাঁর এই চলে যাওয়া জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বক্তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশপ্রেমের কথা তুলে ধরেন। পরিশেষে মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হয় এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।
০২ জানুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতির এক নক্ষত্রের পতন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই

বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রয়াণের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ চার দশকের এক বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের অবসান ঘটলো। ‘মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।শেষ মুহূর্তের উপস্থিত স্বজন ও নেতৃবৃন্দহাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেগম জিয়ার শেষ সময়ে তার পাশে ছিলেন জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, ছোট ছেলের বউ শার্মিলী রহমান সিঁথি, ছোট ভাই শামীম এসকান্দারসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।ভোর ৭টার দিকে চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে জানান, মরহুমার নামাজে জানাজার সময়সূচি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।দীর্ঘ অসুস্থতা ও লড়াইবেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হার্ট ও ফুসফুসের জটিলতাসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে এ বছরের মে মাসে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন গিয়েছিলেন এবং কাতার আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে ফিরেছিলেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার দণ্ড মওকুফ করেছিলেন।বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা খানম পুতুল (শান্তি)। ১৯৮১ সালে স্বামী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমৃত্যু তিনি এই পদে আসীন ছিলেন।তিনবারের প্রধানমন্ত্রী: ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। এরপর ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তার শাসনামলেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তিত হয়।সংসদীয় রাজনীতি: খালেদা জিয়া অংশ নেওয়া প্রতিটি নির্বাচনেই (৫টি আসনে) জয়ী হওয়ার এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন।শোকের ছায়াতার মৃত্যুতে রাজধানীসহ সারা দেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কারাজীবন এবং অসুস্থতার পর প্রিয় নেত্রীর চলে যাওয়াকে দেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।২০১৮ সালের পর থেকে নানা আইনি জটিলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি জনসম্মুখে খুব একটা না আসলেও, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সশস্ত্র বাহিনী দিবসে অংশ নিয়ে সর্বশেষ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতি জানান দিয়েছিলেন। আজ তার চিরবিদায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি যুগের পরিসমাপ্তি ঘটল।
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপছে নিকলী, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি

হাড়কাঁপানো শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে কিশোরগঞ্জের হাওর জনপদ। আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, নিকলীতে আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।​সকাল থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে পুরো উপজেলা। কুয়াশার তীব্রতায় দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে হাওরবেষ্টিত এই অঞ্চলে হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা অন্যান্য এলাকার তুলনায় অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।তীব্র এই শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। ভোরে যারা কাজের সন্ধানে বের হন, কনকনে ঠান্ডায় তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। নিকলী বাজারের এক রিকশাচালক জানান, "বাতাসের কারণে রিকশা চালানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। হাত-পা যেন বরফ হয়ে যাচ্ছে।"শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে নিকলী ও আশেপাশের এলাকায় বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধি। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।​আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস:নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই এ অঞ্চলে তাপমাত্রা নিচের দিকে নামছে। ঘন কুয়াশার সাথে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসের কারণেই মূলত শীতের দাপট বেড়েছে। আগামী কয়েকদিন এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।​প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নিচ্ছেন। তবে সাধারণ মানুষের দাবি, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শীতবস্ত্র বিতরণ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
আপিলে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বৈধতা পেলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আপিলে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বৈধতা পেলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে। হলফনামায় মামলার তথ্য উল্লেখ না করায় আগে বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্র আপিল বিভাগে বৈধ ঘোষিত হয়েছে। এর ফলে এই আসনে ভোটের সমীকরণ নতুন মাত্রা পেল।​এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে যাচাই-বাছাইয়ের সময় হলফনামায় একটি মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন তিনি। আপিল শুনানিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যাখ্যা ও তথ্য উপস্থাপনের পর কমিশন তার প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেয়।​শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল একজন প্রভাবশালী বিএনপি নেতা। তিনি বর্তমানে:• ​বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।​• কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি।• ​বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। ​তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে বাজিতপুর ও নিকলী এলাকায় তার অনুসারী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।​কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে এবার ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। এই আসনে প্রধান দলগুলোর মনোনীত প্রার্থীরা হলেন:​সৈয়দ এহসানুল হুদা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনীত।​অধ্যাপক রমজান আলী: জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনীত।​শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল: স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী/স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচিত)।​একই দল থেকে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী মাঠে থাকায় এই আসনে ভোটের লড়াই বেশ চমকপ্রদ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির মূল প্রার্থীর বিপরীতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ দলীয় কর্মীদের মধ্যে ভোট বিভাজনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থীর উপস্থিতি এই আসনে ভোট যুদ্ধের ময়দানকে আরও জটিল করে তুলেছে।​প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ​"আমি সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে প্রার্থিতা স্থগিত হলেও ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন লক্ষ্য হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সেবা করা।"
১০ জানুয়ারি ২০২৬
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
বিজ্ঞাপন চিত্র

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ

আপিলে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বৈধতা পেলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আপিলে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বৈধতা পেলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে। হলফনামায় মামলার তথ্য উল্লেখ না করায় আগে বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্র আপিল বিভাগে বৈধ ঘোষিত হয়েছে। এর ফলে এই আসনে ভোটের সমীকরণ নতুন মাত্রা পেল।​এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে যাচাই-বাছাইয়ের সময় হলফনামায় একটি মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন তিনি। আপিল শুনানিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যাখ্যা ও তথ্য উপস্থাপনের পর কমিশন তার প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেয়।​শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল একজন প্রভাবশালী বিএনপি নেতা। তিনি বর্তমানে:• ​বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।​• কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি।• ​বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। ​তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে বাজিতপুর ও নিকলী এলাকায় তার অনুসারী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।​কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে এবার ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। এই আসনে প্রধান দলগুলোর মনোনীত প্রার্থীরা হলেন:​সৈয়দ এহসানুল হুদা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনীত।​অধ্যাপক রমজান আলী: জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনীত।​শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল: স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী/স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচিত)।​একই দল থেকে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী মাঠে থাকায় এই আসনে ভোটের লড়াই বেশ চমকপ্রদ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির মূল প্রার্থীর বিপরীতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ দলীয় কর্মীদের মধ্যে ভোট বিভাজনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থীর উপস্থিতি এই আসনে ভোট যুদ্ধের ময়দানকে আরও জটিল করে তুলেছে।​প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ​"আমি সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে প্রার্থিতা স্থগিত হলেও ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন লক্ষ্য হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সেবা করা।"
১০ জানুয়ারি ২০২৬
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

জাতীয়

বাংলাদেশের রাজনীতির এক নক্ষত্রের পতন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই

বাংলাদেশের রাজনীতির এক নক্ষত্রের পতন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই

বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রয়াণের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ চার দশকের এক বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের অবসান ঘটলো। ‘মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।শেষ মুহূর্তের উপস্থিত স্বজন ও নেতৃবৃন্দহাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেগম জিয়ার শেষ সময়ে তার পাশে ছিলেন জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, ছোট ছেলের বউ শার্মিলী রহমান সিঁথি, ছোট ভাই শামীম এসকান্দারসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।ভোর ৭টার দিকে চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে জানান, মরহুমার নামাজে জানাজার সময়সূচি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।দীর্ঘ অসুস্থতা ও লড়াইবেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হার্ট ও ফুসফুসের জটিলতাসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে এ বছরের মে মাসে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন গিয়েছিলেন এবং কাতার আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে ফিরেছিলেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার দণ্ড মওকুফ করেছিলেন।বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা খানম পুতুল (শান্তি)। ১৯৮১ সালে স্বামী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমৃত্যু তিনি এই পদে আসীন ছিলেন।তিনবারের প্রধানমন্ত্রী: ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। এরপর ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তার শাসনামলেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তিত হয়।সংসদীয় রাজনীতি: খালেদা জিয়া অংশ নেওয়া প্রতিটি নির্বাচনেই (৫টি আসনে) জয়ী হওয়ার এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন।শোকের ছায়াতার মৃত্যুতে রাজধানীসহ সারা দেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কারাজীবন এবং অসুস্থতার পর প্রিয় নেত্রীর চলে যাওয়াকে দেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।২০১৮ সালের পর থেকে নানা আইনি জটিলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি জনসম্মুখে খুব একটা না আসলেও, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সশস্ত্র বাহিনী দিবসে অংশ নিয়ে সর্বশেষ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতি জানান দিয়েছিলেন। আজ তার চিরবিদায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি যুগের পরিসমাপ্তি ঘটল।
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
অনলাইন জরিপ

অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

রাজনীতি

আপিলে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বৈধতা পেলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আপিলে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বৈধতা পেলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে। হলফনামায় মামলার তথ্য উল্লেখ না করায় আগে বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্র আপিল বিভাগে বৈধ ঘোষিত হয়েছে। এর ফলে এই আসনে ভোটের সমীকরণ নতুন মাত্রা পেল।​এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে যাচাই-বাছাইয়ের সময় হলফনামায় একটি মামলার তথ্য গোপন করার অভিযোগে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন তিনি। আপিল শুনানিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যাখ্যা ও তথ্য উপস্থাপনের পর কমিশন তার প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেয়।​শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল একজন প্রভাবশালী বিএনপি নেতা। তিনি বর্তমানে:• ​বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য।​• কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি।• ​বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। ​তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবরে বাজিতপুর ও নিকলী এলাকায় তার অনুসারী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।​কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে এবার ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। এই আসনে প্রধান দলগুলোর মনোনীত প্রার্থীরা হলেন:​সৈয়দ এহসানুল হুদা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনীত।​অধ্যাপক রমজান আলী: জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনীত।​শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল: স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী/স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচিত)।​একই দল থেকে একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী মাঠে থাকায় এই আসনে ভোটের লড়াই বেশ চমকপ্রদ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির মূল প্রার্থীর বিপরীতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ দলীয় কর্মীদের মধ্যে ভোট বিভাজনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থীর উপস্থিতি এই আসনে ভোট যুদ্ধের ময়দানকে আরও জটিল করে তুলেছে।​প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ​"আমি সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে প্রার্থিতা স্থগিত হলেও ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন লক্ষ্য হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সেবা করা।"
১০ জানুয়ারি ২০২৬
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
আপনাদের পাঠানো খবর

আপনাদের পাঠানো খবর

বাজিতপুর হাসপাতালে ২ ঘণ্টা অচলাবস্থা, ক্ষুব্ধ রোগীদের ফার্মেসি ভাঙচুর

বাজিতপুর হাসপাতালে ২ ঘণ্টা অচলাবস্থা, ক্ষুব্ধ রোগীদের ফার্মেসি ভাঙচুর

দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে বাজিতপুর ৫০ শয্যা হাসপাতালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন। কর্মসূচির প্রথম দিনেই সেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ রোগী ও তাদের স্বজনরা হাসপাতাল সংলগ্ন একটি ফার্মেসি ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাজিতপুর-এর উদ্যোগে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর, ২০২৫) সকাল ০৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালিত হয়।কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের জরুরি সেবা ব্যাহত হয় এবং বহির্বিভাগ থেকে আসা রোগীরা তীব্র ভোগান্তির শিকার হন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।অচলাবস্থা চলাকালীন সেবা না পেয়ে অপেক্ষমাণ রোগী ও তাদের স্বজনদের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতাল সংলগ্ন একটি ফার্মেসি ভাঙচুর করে। যদিও ভাঙচুরের বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতি এবং এ ঘটনায় কেউ আহত হয়েছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।'মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ'-এর ঘোষণা অনুযায়ী, তাদের এই কর্মবিরতি ও আন্দোলন আগামী তিন দিন ধরে চলবে: তারিখ বার সময়সীমা কর্মসূচির ধরন ৩০ নভেম্বর ২০২৫ রবিবার সকাল ০৯টা - ১১টা (০২ ঘণ্টা) কর্মবিরতি ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ বুধবার সকাল ০৮টা - ১২টা (অর্ধদিবস) কর্মবিরতি ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার কমপ্লিট শাট-ডাউন পূর্ণ-কর্মদিবস কর্মবিরতি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে চলা এই আন্দোলনে রোগীদের ভোগান্তি বাড়তে থাকায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।
২৭ নভেম্বর ২০২৫
জোটের অজুহাতে বাদ দিলে আসন হারাবে বিএনপি: বিশাল জনসভায় ইকবাল

জোটের অজুহাতে বাদ দিলে আসন হারাবে বিএনপি: বিশাল জনসভায় ইকবাল

২৭ নভেম্বর ২০২৫
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
ইসলাম

ইসলাম

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাত টার দিকে রনচন্ডী ইউনিয়নের বাফলা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।বাফলা গ্রামের চান কৃষ্ণ রায়, কনক চন্দ্র সরকার, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়সহ ১৮ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতার নেতৃত্বে তারা নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারের হাতে হাত মিলেয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। পরে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন।চান কৃষ্ণ রায় জানান, আমরা বাফলার বিল এলাকায় বসবাসরত দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলাম। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে কাজ করবো।নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার। রণচন্ডী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনে সাঈদ সুজন, রনচন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান প্রমুখ।উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এসময় জামায়াতের তিন জন ও জাতীয় পার্টির সাত জন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
১১ নভেম্বর ২০২৫
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিক্ষা

শিক্ষা

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাত টার দিকে রনচন্ডী ইউনিয়নের বাফলা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।বাফলা গ্রামের চান কৃষ্ণ রায়, কনক চন্দ্র সরকার, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়সহ ১৮ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতার নেতৃত্বে তারা নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারের হাতে হাত মিলেয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। পরে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন।চান কৃষ্ণ রায় জানান, আমরা বাফলার বিল এলাকায় বসবাসরত দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলাম। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে কাজ করবো।নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার। রণচন্ডী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনে সাঈদ সুজন, রনচন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান প্রমুখ।উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এসময় জামায়াতের তিন জন ও জাতীয় পার্টির সাত জন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
২৭ নভেম্বর ২০২৫
মতামত

মতামত

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাত টার দিকে রনচন্ডী ইউনিয়নের বাফলা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।বাফলা গ্রামের চান কৃষ্ণ রায়, কনক চন্দ্র সরকার, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়সহ ১৮ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতার নেতৃত্বে তারা নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারের হাতে হাত মিলেয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। পরে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন।চান কৃষ্ণ রায় জানান, আমরা বাফলার বিল এলাকায় বসবাসরত দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলাম। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে কাজ করবো।নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার। রণচন্ডী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনে সাঈদ সুজন, রনচন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান প্রমুখ।উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এসময় জামায়াতের তিন জন ও জাতীয় পার্টির সাত জন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
নিউজ ডেস্ক