বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাজিতপুর নিউজ
সর্বশেষ

ভৈরবে তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান

​কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিটামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে বাজিতপুরের ভাগলপুরস্থ জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।​অসুস্থতার বিবরণ​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালের দিকে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালানোর সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করেন। প্রচণ্ড ঠান্ডাজনিত কারণে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং তিনি কয়েকবার বমিও করেন। এতে তিনি শারীরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েন।​এডভোকেট ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী জানান, আজ ভৈরবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় যোগ দেওয়ার প্রবল ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় জনসভায় যাওয়া সম্ভব হয়নি এবং তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।​চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা​বর্তমানে তিনি জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৫০১ নম্বর ভিআইপি কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালের পরিচালক ও সহকারী পরিচালক সার্বক্ষণিক তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন।​হাসপাতালের পরিচালক ডঃ বাহার উদ্দিন ভুঁইয়া সংবাদমাধ্যমকে জানান: ​"তিনি বর্তমানে আমাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন এবং মোটামুটি ভালো আছেন। ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও দুর্বলতা কাটাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।" ​নির্বাচনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রার্থীর হঠাৎ অসুস্থতায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এডভোকেট ফজলুর রহমানের স্ত্রী তার দ্রুত সুস্থতার জন্য নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
২২ জানুয়ারি ২০২৬

ইকবালের বহিষ্কারের প্রতিবাদে বাজিতপুর-নিকলীতে গণ-পদত্যাগের হিড়িক

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের দীর্ঘদিনের কান্ডারি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে বাজিতপুর ও নিকলী বিএনপির রাজনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছে। নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং দলের 'অন্যায্য' সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত দুই দিনে কয়েকশ নেতাকর্মী স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।​নেতাকর্মীদের ক্ষোভের মূলে 'নব্য বনাম ত্যাগী':পদত্যাগকারী নেতাকর্মীদের প্রধান অভিযোগ—যিনি ২৫ বছর ধরে এই জনপদের নেতাকর্মীদের জেল-জুলুম ও মামলা-হামলায় পাশে ছিলেন, সেই ত্যাগী নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে সরিয়ে মাত্র ২৫ দিন আগে দলে আসা এক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। একে 'নব্য বনাম ত্যাগী' সংঘাত হিসেবে দেখছেন মাঠের কর্মীরা।​যাঁরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন:​মুহাম্মদ ওয়াসিমুল হক ওয়াসিম (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বাজিতপুর উপজেলা যুবদল): ৩০ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও ১৬টি মামলার আসামি এই নেতা পদত্যাগকালে বলেন, "আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেল খাটাকালীন আমার পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন ইকবাল ভাই। হাইকোর্ট থেকে ৫টি মামলা জামিন করিয়ে দিয়েছেন তিনি। অথচ উনাকে প্রথমে নমিনেশন দিয়েও পরবর্তীতে অন্য দল থেকে আসা ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমি এই সিদ্ধান্ত ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে পদত্যাগ করলাম।"​মোঃ সাগর মিয়া (যুগ্ম আহ্বায়ক, গাজীরচর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল): বিগত সরকারের আমলে মামলার আসামি হওয়া এই নেতা জানান, "বন্দুকের নলের মুখে দাঁড়িয়ে ইকবাল ভাইয়ের নেতৃত্বে দল করেছি। নেতার সম্মানে আজ পদত্যাগ করলাম।"​জাফর আহাম্মদ (গাজিরচর যুবদল): পদত্যাগ পত্রে তিনি লিখেছেন, "আমি ইকবাল ভাইয়ের লোক, আমার মার্কা হাঁস।"​আলী আকরাম (সিনি: যুগ্ম আহ্বায়ক, গুরই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম দল): তিনি ইকবাল সাহেবকে বিজয়ী করার শপথ নিয়ে পদত্যাগ করেছেন।​আব্দুল নাসের শাওন (সদস্য, বাজিতপুর উপজেলা যুবদল): তিনি অভিযোগ করেন, ২৫ বছরের ত্যাগী নেতাকে বহিষ্কার করে ২৫ দিনের নব্য ব্যক্তিকে জায়গা দেওয়ার প্রতিবাদে তিনি দল ছাড়লেন।​রোমানুর রহমান রোমান (সদস্য, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল): ২১ বছরের রাজনীতি ও ৩৬ দিন জেল খাটা এই ত্যাগী নেতা বলেন, "দল ২৫ বছরের পুরস্কার হিসেবে বহিষ্কার উপহার দিয়েছে, তাই বিবেকের তাড়নায় বিদায় নিলাম।"​অন্তর ইসলাম বাবু (আহ্বায়ক, বাজিতপুর উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্স): তিনিও ‘ইকবাল ভাই জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে পদত্যাগ করেছেন।মো. সোহেল ভূঁইয়া (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদল): বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিজে ৫টি মামলাসহ পরিবারের বাবা, দাদা ও ভাইদের নামে মোট ১৯টি মামলার ঘানি টেনেছেন সোহেল ভূঁইয়া। তিনি বলেন, "জেল খাটা অবস্থায় শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল এবং উনার সুযোগ্য সন্তান শেখ রাফিদ আহমেদ সশরীরে জেলে গিয়ে আমাদের খোঁজ নিয়েছেন এবং হাইকোর্ট থেকে জামিন করানোর সময় উপস্থিত ছিলেন। দুর্দিনে তাঁদের ছেড়ে যাওয়া বেইমানি হবে। তাই সদ্য যোগদানকৃত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমি ছাত্রদলের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলাম।"​মো. তছলিম মিয়া (সভাপতি প্রার্থী ও প্রস্তাবিত সভাপতি, গাজীরচর ইউনিয়ন ছাত্রদল): দলের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এই নেতা বলেন, "যেখানে ত্যাগীদের মূল্যায়ন নেই, সেখানে থাকার অর্থ হয় না। তাই আমি আমার প্রার্থীতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম এবং ছাত্রদল থেকে পদত্যাগ করলাম।"​মো. আরিফুল ইসলাম সোহাগ (সদস্য, বাজিতপুর পৌর যুবদল): নৈতিক অবস্থান ও আদর্শের প্রশ্নে পদত্যাগ করে তিনি বলেন, "যিনি ত্যাগ ও সংগ্রামে সবসময় মানুষের পাশে ছিলেন, দল তাকে অবহেলা করেছে। বর্তমানে ইকবাল ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণের পথে হাঁটছেন, আমি উনার পাশেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"​মো. নাঈম মিয়া (সদস্য সচিব, পিরিজপুর ইউনিয়ন শাখা স্বেচ্ছাসেবক দল): ২০১২ সাল থেকে দলের জন্য নিবেদিত এই কর্মী ২০১৯ সাল থেকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি জানান, "আন্দোলন করতে গিয়ে বছরের পর বছর বাড়িছাড়া হয়েছি, তখন ইকবাল ভাই-ই আমার খোঁজ নিয়েছেন। অথচ উনাকে বাদ দিয়ে ভাড়াটে প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা আমি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে পদত্যাগ করলাম।"​মো. ফারুক আহমেদ (১নং সহ-সভাপতি, পিরিজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল): তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বাজিতপুর-নিকলী বিএনপির ঘাঁটি হলেও দল এখানে এমন একজনকে মনোনীত করেছে যাকে গ্রামের ১০% মানুষও চেনে না। এক যুগের ভেতরেও আমাদের ইউনিয়নে যাকে দেখা যায়নি, তাকে আমরা মেনে নেব না। এ জন্য দল ব্যবস্থা নিলেও আমরা মাথা পেতে নেব।" ​​মাঠের পরিস্থিতি:বর্তমানে বাজিতপুর ও নিকলী এলাকায় "হাঁস" প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পদত্যাগকারী নেতারা বলছেন, তাঁরা এখন কোনো পদের লোভে নয়, বরং তাদের বিপদে পাশে থাকা নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকে মাঠে কাজ করবেন।​বিএনপির এই বড় অংশের পদত্যাগের ফলে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনী সমীকরণ সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। তৃণমূলের এই বিশাল অংশটি এখন প্রকাশ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের পক্ষে প্রচারণায় নেমেছে।
২২ জানুয়ারি ২০২৬

বিএনপির ৫৯ নেতা বহিষ্কার: তালিকায় কিশোরগঞ্জ-৫ এর শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ৫৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ বুধবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বহিষ্কৃত নেতাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। এই তালিকায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতারা রয়েছেন।তালিকায় উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ: বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ন ম বজলুর রশিদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য এ জেড এম রেজয়ানুল হক, নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ, এবং কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের আলোচিত নেতা ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তিনি বর্তমানে এই আসনে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন।বিভাগ অনুযায়ী বহিষ্কৃত নেতাদের তালিকা:ঢাকা বিভাগ১. নারায়ণগঞ্জ-১: মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন (সাবেক সদস্য, জেলা বিএনপি) ২. নারায়ণগঞ্জ-২: মোঃ আতাউর রহমান খান আঙ্গুর (সাবেক সদস্য, জেলা বিএনপি) ৩. নারায়ণগঞ্জ-৩: অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৪. টাঙ্গাইল-১: অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ আলী (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. টাঙ্গাইল-৩: লুৎফর রহমান খান আজাদ (উপদেষ্টা, চেয়ারপারসন) ৬. টাঙ্গাইল-৫: অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল (সাধারণ সম্পাদক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি) ৭. নরসিংদী-৫: মোঃ জামাল আহমেদ চৌধুরী (সহ-সভাপতি, নরসিংদী জেলা বিএনপি) ৮. মুন্সিগঞ্জ-১: মোঃ মুমিন আলী (সদস্য, জেলা বিএনপি) ৯. মুন্সিগঞ্জ-৩: মোঃ মহিউদ্দিন (সদস্য সচিব, জেলা বিএনপি)ময়মনসিংহ বিভাগ৪. কিশোরগঞ্জ-১: রেজাউল করিম চুন্নু (সদস্য, সদর থানা) ৫. কিশোরগঞ্জ-৫: শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও সভাপতি, বাজিতপুর উপজেলা বিএনপি) ৬. ময়মনসিংহ-১: সালমান ওমর রুবেল (যুগ্ম আহ্বায়ক, হালুয়াঘাট উপজেলা) ৭. ময়মনসিংহ-১০: এবি সিদ্দিকুর রহমান (যুগ্ম আহ্বায়ক, দক্ষিণ জেলা বিএনপি) ৮. ময়মনসিংহ-১১: মোঃ মোর্শেদ আলম (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, ভালুকা উপজেলা) ৯. নেত্রকোনা-৩: মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (সদস্য, কেন্দুয়া উপজেলা) ১০. শেরপুর-৩: মোঃ আমিনুল ইসলাম বাদশাহ (সদস্য, সাবেক জেলা বিএনপি)খুলনা বিভাগ১. কুষ্টিয়া-১: নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা ২. নড়াইল-২: মনিরুল ইসলাম (সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি) ৩. যশোর-৫: অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবাল (সভাপতি, মনিরামপুর থানা) ৪. সাতক্ষীরা-৩: ডা. শহীদুল আলম (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. বাগেরহাট-১: ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ (সদস্য, জেলা বিএনপি) ৬. বাগেরহাট-৪: খায়রুজ্জামান শিপন (সদস্য, জেলা বিএনপি)বরিশাল বিভাগ৭. বরিশাল-১: আব্দুস সোবহান (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৮. পিরোজপুর-২: মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন (প্রাথমিক সদস্য)ফরিদপুর বিভাগ১. মাদারিপুর-১: লাভলু সিদ্দিকী ২. মাদারিপুর-১: কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা ৩. মাদারিপুর-২: মিল্টন বৈদ্য ৪. রাজবাড়ী-২: নাসিরুল হক সাবু (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. গোপালগঞ্জ-২: এম এস খান মঞ্জু ৬. গোপালগঞ্জ-২: সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ৭. গোপালগঞ্জ-৩: অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিবসিলেট বিভাগ১. সুনামগঞ্জ-৩: আনোয়ার হোসেন ২. সুনামগঞ্জ-৪: দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ৩. সিলেট-৫: মামুনুর রশীদ চাকসু (উপদেষ্টা) ৪. মৌলভীবাজার-৪: মহসিন মিয়া মধু ৫. হবিগঞ্জ-১: শেখ সুজাত মিয়া (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি)কুমিল্লা বিভাগ১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন ২. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল ৪. কুমিল্লা-২: ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন ৫. কুমিল্লা-৭: আতিকুল আলম শাওন ৬. চাঁদপুর-৪: এম এ হান্নান (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি)চট্টগ্রাম বিভাগ১. চট্টগ্রাম-১৪: অ্যাডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরী ২. চট্টগ্রাম-১৪: শফিকুল ইসলাম রাহী ৩. চট্টগ্রাম-১৬: লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান ৪. নোয়াখালী-২: কাজী মফিজুর রহমান (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. নোয়াখালী-৬: প্রকৌশলী ফজলুল আজীম (সাবেক সংসদ সদস্য) ৬. নোয়াখালী-৬: ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীববিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলের মনোনীত বা জোটভুক্ত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে গিয়ে যারা স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে দল কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করার শাস্তি হিসেবেই এই গণ-বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
২১ জানুয়ারি ২০২৬
অসুস্থ ফজলুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে যান শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল

অসুস্থ ফজলুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে যান শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল।​আজ রাতে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তিনি অসুস্থ ফজলুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এসময় তিনি হাসপাতালের ৫০১ নম্বর ভিআইপি কেবিনে চিকিৎসাধীন ফজলুর রহমানের শয্যাপাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাঁর চিকিৎসার আপডেট জানেন।​শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। তিনি বলেন, "অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। এই নির্বাচনী মুহূর্তে তাঁর অসুস্থতা আমাদের জন্য উদ্বেগের। আমি তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি যাতে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে জনগণের মাঝে ফিরে আসতে পারেন।"​উল্লেখ্য, আজ বিকেলে ভৈরবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
২২ জানুয়ারি ২০২৬
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
বিজ্ঞাপন চিত্র

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ

অসুস্থ ফজলুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে যান শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল

অসুস্থ ফজলুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে যান শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল।​আজ রাতে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তিনি অসুস্থ ফজলুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এসময় তিনি হাসপাতালের ৫০১ নম্বর ভিআইপি কেবিনে চিকিৎসাধীন ফজলুর রহমানের শয্যাপাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাঁর চিকিৎসার আপডেট জানেন।​শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। তিনি বলেন, "অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। এই নির্বাচনী মুহূর্তে তাঁর অসুস্থতা আমাদের জন্য উদ্বেগের। আমি তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি যাতে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে জনগণের মাঝে ফিরে আসতে পারেন।"​উল্লেখ্য, আজ বিকেলে ভৈরবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
২২ জানুয়ারি ২০২৬
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
জাতীয়

জাতীয়

বাংলাদেশের রাজনীতির এক নক্ষত্রের পতন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই

বাংলাদেশের রাজনীতির এক নক্ষত্রের পতন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর নেই

বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রয়াণের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ চার দশকের এক বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের অবসান ঘটলো। ‘মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।শেষ মুহূর্তের উপস্থিত স্বজন ও নেতৃবৃন্দহাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেগম জিয়ার শেষ সময়ে তার পাশে ছিলেন জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, ছোট ছেলের বউ শার্মিলী রহমান সিঁথি, ছোট ভাই শামীম এসকান্দারসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।ভোর ৭টার দিকে চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে জানান, মরহুমার নামাজে জানাজার সময়সূচি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।দীর্ঘ অসুস্থতা ও লড়াইবেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হার্ট ও ফুসফুসের জটিলতাসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে এ বছরের মে মাসে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন গিয়েছিলেন এবং কাতার আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে ফিরেছিলেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার দণ্ড মওকুফ করেছিলেন।বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা খানম পুতুল (শান্তি)। ১৯৮১ সালে স্বামী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমৃত্যু তিনি এই পদে আসীন ছিলেন।তিনবারের প্রধানমন্ত্রী: ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। এরপর ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তার শাসনামলেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তিত হয়।সংসদীয় রাজনীতি: খালেদা জিয়া অংশ নেওয়া প্রতিটি নির্বাচনেই (৫টি আসনে) জয়ী হওয়ার এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন।শোকের ছায়াতার মৃত্যুতে রাজধানীসহ সারা দেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কারাজীবন এবং অসুস্থতার পর প্রিয় নেত্রীর চলে যাওয়াকে দেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।২০১৮ সালের পর থেকে নানা আইনি জটিলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি জনসম্মুখে খুব একটা না আসলেও, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সশস্ত্র বাহিনী দিবসে অংশ নিয়ে সর্বশেষ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতি জানান দিয়েছিলেন। আজ তার চিরবিদায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি যুগের পরিসমাপ্তি ঘটল।
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
অনলাইন জরিপ

অনলাইন জরিপ

২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
কিশোরগঞ্জ - ৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে হেভিওয়েট তিন নেতার মধ্যে কে এগিয়ে?

কিশোরগঞ্জ - ৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে হেভিওয়েট তিন নেতার মধ্যে কে এগিয়ে?

  সৈয়দ এহসানুল হুদা
  শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল
  মোঃ রমজান আলী
মোট ভোটদাতাঃ জন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
রাজনীতি

রাজনীতি

বিএনপির ৫৯ নেতা বহিষ্কার: তালিকায় কিশোরগঞ্জ-৫ এর শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

বিএনপির ৫৯ নেতা বহিষ্কার: তালিকায় কিশোরগঞ্জ-৫ এর শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ৫৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ বুধবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বহিষ্কৃত নেতাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। এই তালিকায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতারা রয়েছেন।তালিকায় উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ: বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ন ম বজলুর রশিদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য এ জেড এম রেজয়ানুল হক, নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ, এবং কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের আলোচিত নেতা ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তিনি বর্তমানে এই আসনে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন।বিভাগ অনুযায়ী বহিষ্কৃত নেতাদের তালিকা:ঢাকা বিভাগ১. নারায়ণগঞ্জ-১: মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন (সাবেক সদস্য, জেলা বিএনপি) ২. নারায়ণগঞ্জ-২: মোঃ আতাউর রহমান খান আঙ্গুর (সাবেক সদস্য, জেলা বিএনপি) ৩. নারায়ণগঞ্জ-৩: অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৪. টাঙ্গাইল-১: অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ আলী (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. টাঙ্গাইল-৩: লুৎফর রহমান খান আজাদ (উপদেষ্টা, চেয়ারপারসন) ৬. টাঙ্গাইল-৫: অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল (সাধারণ সম্পাদক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি) ৭. নরসিংদী-৫: মোঃ জামাল আহমেদ চৌধুরী (সহ-সভাপতি, নরসিংদী জেলা বিএনপি) ৮. মুন্সিগঞ্জ-১: মোঃ মুমিন আলী (সদস্য, জেলা বিএনপি) ৯. মুন্সিগঞ্জ-৩: মোঃ মহিউদ্দিন (সদস্য সচিব, জেলা বিএনপি)ময়মনসিংহ বিভাগ৪. কিশোরগঞ্জ-১: রেজাউল করিম চুন্নু (সদস্য, সদর থানা) ৫. কিশোরগঞ্জ-৫: শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও সভাপতি, বাজিতপুর উপজেলা বিএনপি) ৬. ময়মনসিংহ-১: সালমান ওমর রুবেল (যুগ্ম আহ্বায়ক, হালুয়াঘাট উপজেলা) ৭. ময়মনসিংহ-১০: এবি সিদ্দিকুর রহমান (যুগ্ম আহ্বায়ক, দক্ষিণ জেলা বিএনপি) ৮. ময়মনসিংহ-১১: মোঃ মোর্শেদ আলম (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, ভালুকা উপজেলা) ৯. নেত্রকোনা-৩: মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (সদস্য, কেন্দুয়া উপজেলা) ১০. শেরপুর-৩: মোঃ আমিনুল ইসলাম বাদশাহ (সদস্য, সাবেক জেলা বিএনপি)খুলনা বিভাগ১. কুষ্টিয়া-১: নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা ২. নড়াইল-২: মনিরুল ইসলাম (সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি) ৩. যশোর-৫: অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবাল (সভাপতি, মনিরামপুর থানা) ৪. সাতক্ষীরা-৩: ডা. শহীদুল আলম (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. বাগেরহাট-১: ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ (সদস্য, জেলা বিএনপি) ৬. বাগেরহাট-৪: খায়রুজ্জামান শিপন (সদস্য, জেলা বিএনপি)বরিশাল বিভাগ৭. বরিশাল-১: আব্দুস সোবহান (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৮. পিরোজপুর-২: মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন (প্রাথমিক সদস্য)ফরিদপুর বিভাগ১. মাদারিপুর-১: লাভলু সিদ্দিকী ২. মাদারিপুর-১: কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা ৩. মাদারিপুর-২: মিল্টন বৈদ্য ৪. রাজবাড়ী-২: নাসিরুল হক সাবু (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. গোপালগঞ্জ-২: এম এস খান মঞ্জু ৬. গোপালগঞ্জ-২: সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ৭. গোপালগঞ্জ-৩: অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিবসিলেট বিভাগ১. সুনামগঞ্জ-৩: আনোয়ার হোসেন ২. সুনামগঞ্জ-৪: দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ৩. সিলেট-৫: মামুনুর রশীদ চাকসু (উপদেষ্টা) ৪. মৌলভীবাজার-৪: মহসিন মিয়া মধু ৫. হবিগঞ্জ-১: শেখ সুজাত মিয়া (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি)কুমিল্লা বিভাগ১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন ২. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল ৪. কুমিল্লা-২: ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন ৫. কুমিল্লা-৭: আতিকুল আলম শাওন ৬. চাঁদপুর-৪: এম এ হান্নান (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি)চট্টগ্রাম বিভাগ১. চট্টগ্রাম-১৪: অ্যাডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরী ২. চট্টগ্রাম-১৪: শফিকুল ইসলাম রাহী ৩. চট্টগ্রাম-১৬: লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান ৪. নোয়াখালী-২: কাজী মফিজুর রহমান (সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি) ৫. নোয়াখালী-৬: প্রকৌশলী ফজলুল আজীম (সাবেক সংসদ সদস্য) ৬. নোয়াখালী-৬: ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীববিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলের মনোনীত বা জোটভুক্ত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে গিয়ে যারা স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে দল কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করার শাস্তি হিসেবেই এই গণ-বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
২১ জানুয়ারি ২০২৬
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
ওয়েব স্টোরি

ওয়েব স্টোরি

একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
আপনাদের পাঠানো খবর

আপনাদের পাঠানো খবর

বাজিতপুর হাসপাতালে ২ ঘণ্টা অচলাবস্থা, ক্ষুব্ধ রোগীদের ফার্মেসি ভাঙচুর

বাজিতপুর হাসপাতালে ২ ঘণ্টা অচলাবস্থা, ক্ষুব্ধ রোগীদের ফার্মেসি ভাঙচুর

দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে বাজিতপুর ৫০ শয্যা হাসপাতালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন। কর্মসূচির প্রথম দিনেই সেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ রোগী ও তাদের স্বজনরা হাসপাতাল সংলগ্ন একটি ফার্মেসি ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাজিতপুর-এর উদ্যোগে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর, ২০২৫) সকাল ০৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালিত হয়।কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের জরুরি সেবা ব্যাহত হয় এবং বহির্বিভাগ থেকে আসা রোগীরা তীব্র ভোগান্তির শিকার হন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।অচলাবস্থা চলাকালীন সেবা না পেয়ে অপেক্ষমাণ রোগী ও তাদের স্বজনদের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতাল সংলগ্ন একটি ফার্মেসি ভাঙচুর করে। যদিও ভাঙচুরের বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতি এবং এ ঘটনায় কেউ আহত হয়েছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।'মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন পরিষদ'-এর ঘোষণা অনুযায়ী, তাদের এই কর্মবিরতি ও আন্দোলন আগামী তিন দিন ধরে চলবে: তারিখ বার সময়সীমা কর্মসূচির ধরন ৩০ নভেম্বর ২০২৫ রবিবার সকাল ০৯টা - ১১টা (০২ ঘণ্টা) কর্মবিরতি ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ বুধবার সকাল ০৮টা - ১২টা (অর্ধদিবস) কর্মবিরতি ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার কমপ্লিট শাট-ডাউন পূর্ণ-কর্মদিবস কর্মবিরতি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে চলা এই আন্দোলনে রোগীদের ভোগান্তি বাড়তে থাকায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।
০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
জোটের অজুহাতে বাদ দিলে আসন হারাবে বিএনপি: বিশাল জনসভায় ইকবাল

জোটের অজুহাতে বাদ দিলে আসন হারাবে বিএনপি: বিশাল জনসভায় ইকবাল

০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
ইসলাম

ইসলাম

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাত টার দিকে রনচন্ডী ইউনিয়নের বাফলা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।বাফলা গ্রামের চান কৃষ্ণ রায়, কনক চন্দ্র সরকার, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়সহ ১৮ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতার নেতৃত্বে তারা নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারের হাতে হাত মিলেয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। পরে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন।চান কৃষ্ণ রায় জানান, আমরা বাফলার বিল এলাকায় বসবাসরত দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলাম। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে কাজ করবো।নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার। রণচন্ডী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনে সাঈদ সুজন, রনচন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান প্রমুখ।উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এসময় জামায়াতের তিন জন ও জাতীয় পার্টির সাত জন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
১১ নভেম্বর ২০২৫
একবারে বিজ্ঞাপন
বাজিতপুর নিউজ বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য এখানে ক্লিক করুন
শিক্ষা

শিক্ষা

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাত টার দিকে রনচন্ডী ইউনিয়নের বাফলা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।বাফলা গ্রামের চান কৃষ্ণ রায়, কনক চন্দ্র সরকার, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়সহ ১৮ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতার নেতৃত্বে তারা নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারের হাতে হাত মিলেয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। পরে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন।চান কৃষ্ণ রায় জানান, আমরা বাফলার বিল এলাকায় বসবাসরত দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলাম। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে কাজ করবো।নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার। রণচন্ডী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনে সাঈদ সুজন, রনচন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান প্রমুখ।উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এসময় জামায়াতের তিন জন ও জাতীয় পার্টির সাত জন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
০৪ ডিসেম্বর ২০২৫
মতামত

মতামত

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর যোগদান

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাত টার দিকে রনচন্ডী ইউনিয়নের বাফলা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন।বাফলা গ্রামের চান কৃষ্ণ রায়, কনক চন্দ্র সরকার, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়সহ ১৮ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতার নেতৃত্বে তারা নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারের হাতে হাত মিলেয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। পরে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন।চান কৃষ্ণ রায় জানান, আমরা বাফলার বিল এলাকায় বসবাসরত দেড় শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিএনপির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলাম। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে কাজ করবো।নির্বাচনী সভা ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গফুর সরকার। রণচন্ডী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনে সাঈদ সুজন, রনচন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান প্রমুখ।উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এসময় জামায়াতের তিন জন ও জাতীয় পার্টির সাত জন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
নিউজ ডেস্ক